photo

সোমবার, ১২ মে, ২০১৪

মুক্তাগাছার খাল-বিলে পানি নেই


স্টাফ রিপোর্টার : মুক্তাগাছার খাল-বিল, পুকুর ও নদীনালা শুকিয়ে গেছে। ফলে চাষ ব্যাহত হচ্ছে। সেই সঙ্গে পুকুর, নদী-নালা, খাল-বিলের অস্তিত্ব ও বিলীন হতে চলেছে। মুক্তাগাছায় জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে বাড়ির আশপাশের পুকুর, ডোবানালা ভরাট করে বসতবাড়ি নির্মাণ করা হচ্ছে। মুক্তাগাছা উপজেলায় অনেক ঐতিহ্যবাহী বিল ছিল। কতিপয় অর্থ লোভী ব্যক্তির আগ্রাসনের শিকার হয় সেই বিল । অন্যান্য যে সব বিল আছে সেগুলো ভরাট হয়ে গেছে। এখন উন্নতমানের ফসল হচ্ছে বিলে। এছাড়া গ্রামগঞ্জে ডোবানালাগুলোতে প্রচুর পরিমাণে দেশীয় প্রজাতির মাছ প্রকৃতিগতভাবেই উৎপাদন হতো। এখন তো আর খালবিলও নেই। প্রায় বিলুপ্তির পথে দেশীয় প্রজাতির মলা মাছ, শিং মাছ, মাগুর মাছ, কই মাছ, চ্যাং মাছ, আজলা, পবা, শ্যারুন পুঁটিসহ অসংখ্য প্রজাতির মাছ। যা হাতের নাগালেই পাওয়া যেত। এসব মাছ এখন পাওয়া সৌভাগ্যের ব্যাপার। এখন পুকুর বা দিঘীতে বাণিজ্যিক আকারে পোনা মাছ চাষ করে মিটানো হচ্ছে হাটবাজারে বা মানুষের চাহিদা। বর্তমানে পোনা মাছ চাষ ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। কারণ এই উপজেলায় বর্ষা মৌসুমে তেমন কোন বৃষ্টিপাত হয়নি। ফলে পুকুর নদনদী ভরেনি। বিগত বর্ষা মৌসুমে যে পরিমাণ বৃষ্টি হয়েছে সে বৃষ্টিপাত শুষ্কতার কারণে মাটির চাহিদাই মিটেনি। জন্যই সময়ের আগেই পুকুর নদ-নদী, খাল-বিল শুকিয়ে উঠে। এখন প্রতিটি পুকুরে শ্যালোমেশিন বসিয়ে নিয়মিত সেচ দিতে হচ্ছে পুকুরে বা মৎস্য খামারে। ছবি : মুক্তাগাছা : মানকোন এলাকায় পানিশূণ্য আয়মান খাল

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন