photo

শুক্রবার, ২৬ মে, ২০১৭

ময়মনসিংহে কুচি চিংড়ি মাছ মিলছে কম


মনোনেশ দাস : ময়মনসিংহে হাট- বাজারে আগের মত দেখা মিলছে না ল্যাগব্যাগে পায়ের কুচি বা ছোট চিংড়ি মাছ । লাউ কুমড়োর তরকারিতে ছোট চিড়িং আর কুচি চিংড়ি মাছের বড়া আর চরচরি বাঙালীর আশৈশব পরিচিত প্রসিদ্ধ খাবারের মেনু বা উপকরণ হিসাবে বিবেচিত হয়ে আসছে । ধনি, গরিব, মধ্যবিত্ত সকলেরই এই চিংড়ি ভোজনরসিকের অ্যাড্রিনালিনের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়।প্রতি সপ্তাহে কমপক্ষে ৩/ ৪ দিন তারা খেতো ঔজ্জ্বল্য এই চিংড়ি মাছ । সেই চিংড়ি এখন বাজারে ওঠে কালে ভ্রদ্রে । নব্বইয়ের দশকেও ময়মনসিংহ শহর ও গ্রাঞ্চলের বাজারগুলিতে স্তুপ হয়ে পড়ে থাকতো চিংড়ি মাছ । দাম কম থাকায় প্রতিটি পরিবারের সদস্যদেরই প্রিয় খাবার চিংড়ি মাছ কিনতে দেখা যেতো । বাঙালির চিংড়ি মাছ এতই আপন যে শুধু তাকে দিয়েই এক থাল ভাত খাওয়া কোন ব্যাপারই না । এখন ধনিদের বাড়িতে এই চিড়িং দেখা গেলেও মধ্যবিত্ত-দরিদ্রদের ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে গেছে সে। চিংড়ি মাছ কমে যাওয়ার জন্য আধুনিক উপায়ে কৃত্রিম প্রজনন পদ্ধতিতে মাছ চাষকে দায়ী করা হয়েছে । অপরাপর মাছের মত একই পদ্ধতিতে চিংড়িরও চাষ হলে ঘরে ঘরে ফিরে আসবে এর হারানো ঐতিহ্য । এমনটাই দাবি ময়মনসিংহবাসীর ।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন