halud.jpg)
স্টাফ রিপোর্টার : মুক্তাগাছার উুঁচু অঞ্চলে হলুদ চাষের উজ্জল সম্ভাবনা থাকলেও বিভিন্ন কারণে এর আবাদ হ্রাস পাচ্ছে। চাষীরা জানান, সুষ্ঠু যোগাযোগ ,বিপণন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও পৃষ্ঠপোষকতার অভাবই আবাদ হ্রাসের অন্যতম কারণ। ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলায় বিস্তীর্ণ জমিতে সাথী ফসল হিসেবে হলুদের আবাদ করা হয় । উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা হেক্টর প্রতি মাত্র ৪৫ মেট্রিক টন বলে কৃষি দপ্তরের সূত্র জানিয়েছে। বিশেষজ্ঞ মহলের মতে অধিকাংশ মসলা সুগন্ধের জন্য খাদ্যের সাথে যোগ করা হয় , কিন্তু হলুদের ব্যবহার প্রধানত: এর বর্ণের কারণে। কারকিউমিন নামক একটি রঞ্জকের উপস্থিতির দরৃুণ হলুদের বর্ণ হলুদ হয় । বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ হলুদ থেকে হলুদ তৈরীর প্রক্রিয়া উদ্ভাবন করেছে। প্রসাধনী দ্রব্য ও কাপড় রং করার রঞ্জক তৈরীতেও হলুদের ব্যবহার রয়েছে। অত্রাঞ্চলে বহু জাতের হলুদের চাষ হয় । দেশের বিভিন্ন এলাকায় এগুলো মাইষা,আরশী,হরিণ পালি ইত্যাদি নামে পরিচিত। বৃহত্তর ময়মনসিংহের গড় এলাকা দো-আঁশ ও বেলে দো-আঁশ মাটি হলুদ চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী বলে কৃষি বিশেষজ্ঞ সূত্র জানিয়েছে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন